নতুন খবর

ক্ষমতায় ফিরে এই ৫ টি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবেন নরেন্দ্র মোদী! যার সমাধান করলেই দেশ হবে বিশ্বগুরু।


২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদী ( Narendra Modi) সবচেয়ে বেশি ভোটে বা বহুমতে জয়লাভকরে দেশকে সামলানোর জন্য আরো ৫ বছর পেয়ে গেছেন। গত পাঁচ বছরের মোদী সরকারের কাজের উপর ভিত্তি করে এবারে BJP একার দমে ৩০০টি সিট নিজের করে নিয়েছে। যার ফলে বিরোধীরা পুরোপুরী মাটিতে মিশে গেছে। কিন্তু এবার মোদী সরকাররের আরো বেশি সতর্ক থাকা উচিত বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেই বিজেপি বিরোধী ও বহিরাগত শক্তির টার্গেট হয়ে আছে। এই পাঁচ বছরে এই বিরোধীরা সরকারের সব কাজের উপর কড়া নজর রাখবে। শুধু এই নয়, BJP দেশকে বিশ্বগুরু করার যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে সেটাকে পূরণ করার জন্যেও কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। ২০১৯-এ জনগণের ভরসার উপর দাঁড়াতে গেলে অনেক বাঁধার সমুখীন হতে হবে। সেই ব্যাপারেই আমরা এখন উল্লেখ করতে চলেছি।বিশেষ করে সেই ৪টি চ্যালেঞ্জ যেগুলির সমাধান করা খুবই আবশ্যক।

প্রথম চ্যালেঞ্জ : দেশের স্লো একোনোমির হারকে বৃদ্ধি করা। জানিয়ে দি, ২০১৮ সালে ভারতীয় অর্থব্যাবস্থার গ্রোথ রেট ৬.৬ শতাংশ ছিল। সেন্ট্রাল স্টেটিস্টিক অফিস ফিসকাল বর্ষ ২০১৮-১৯ এর গ্রোথ রেট জানুয়ারির ৭.২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ৭ শতাংশ করে দিয়েছে। এই কারণে এই ইস্যুর উপর নরেন্দ্র মোদীর সরকারের কাজ করা উচিত।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ: ৩১শে মে তে নতুন সরকারে প্রথম মাইক্রো ডেটা আসবে। যেটিতে GDP আর পতনের আকার ৬.৪ শতাংশ হতে পারে। এর জন্য সরকারকে আগে ব্যাড লোনের সমস্যার সমাধান করতে হবে। যার পর ব্যাংক বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য ঋণ দিতে পারে।দ্বিতীয় নম্বরে আছে Slow consumption: এটিও একটি বড় সম্যসা। এপ্রিলে অটো কোম্পানির সেলসে ১৬ শতাংশ অব্দি পতন দেখা গেছে।

তৃতীয় চ্যালেঞ্জ:- এই চ্যালেঞ্জ হলো চাকরির, যুবকদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো চাকরি না পাওয়ার। অনেক সরকারি পদ খালি আছে যেগুলি পূরণ দরকার আছে। সরকারের সামনে চতুর্থ চ্যালেঞ্জ হলো ট্রেড বারের প্রভাব। ট্রেড বারের নাম নিলে আমেরিকা-চীন, দুটি বড় নাম সামনে আসে। এই দুজনের মধ্যে ভারতকে তার শক্তি মজবুত করতে হবে। যদিও আমেরিকা বলে দিয়েছে যে ভারতে নতুন সরকার এলে তবেই  তারা ডিউটি ফ্রি বেনিফিট শেষ করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।

চতুর্থ চ্যালেঞ্জ:- স্বদেশীকরণ- দেশের মধ্যে এটাই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। ভারত দেশে নিজস্ব সভ্যতা, কালচার রয়েছে। কিন্তু ভারতীয়রা এখন পশ্চিম সভ্যতার অনুকরণ করতে শুরু করেছে। ভারতীয়রা এখন ইউরোপ, আমেরিকারনদের মতো হতে গিয়ে পুরো দেশের ক্ষতি করেই চলেছে। পুরো দেশের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ছে। ভারতীয়রা নিজের সভ্যতা ছেড়ে আমেরিকা, ইউরোপের সভ্যতা আপন করে নেওয়ায় ওই দেশগুলির জন্য ভারত একটা বড় মার্কেট হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পুরো সিস্টেমের উপর অতি অবশ্যই সরকারকে জোর দিতে হবে। দেশকে বিশ্বগুরু করতে হলে অবশ্যই এই সমস্যার সমাধান বের করতে হবে।

পঞ্চম চ্যালেঞ্জ:- জনসংখ্যার বিন্যাস পরিবর্তন- জনসংখ্যা বিস্ফোরণ ও জনসংখ্যা বিন্যাস দুটি ভিন্ন বিষয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের জনসংখ্যা ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ হতে শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু সমস্যা হলো জনসংখ্যার বিন্যাসের পরিবর্তন। দেশের নানা প্রান্তের হিন্দুবহুল এলাকা ধীরে ধীরে হিন্দু সংখ্যা কমে গিয়ে অন্য সম্প্রদায় বহুল হয়ে উঠছে। যা দেশের জন্য একটা বড় বিপদ হয়ে সামনে আসছে। দেশের বহুসংখ্যক হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য সরকারকে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান বের করতে হবে।

Source link

Tags

Related Articles

Close