নতুন খবর

ঠাকুরনগরে মাত্র ১৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কেন ভাষণ শেষ করলেন, জানলে আপনিও গর্বিত হবেন।

প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজের বক্তব্যের জন্য পুরো বিশ্বজুড়ে প্রসিদ্ধ। এমনকি বিরোধী পক্ষও প্ৰধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণের সুনাম করেন। নির্বাচনী রালিতে প্ৰধানমন্ত্রী মোদী ঘন্টার পর ঘন্টা টানা ভাষণ দিতে দক্ষ। বর্তমান ভারতীয় রাজনীতিতে প্ৰধান মোদীর সাথে ভাষণ দেওয়ার মতো রাজনৈতিক ব্যাক্তি এখনো অবধি কেউ নেই। সামনে লোকসভা নির্বাচন যার জন্য প্ৰধানমন্ত্রী মোদীর বেশ বড় বড় সভা মানুষের সামনে আসতে চলেছে। লোকসভা নির্বাচনে আর হাতে মাত্র ২ থেকে ৩ মাস সময় রয়েছে যার জন্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তদের লক্ষ স্থির করে বিশেষ বিশেষ রাজ্যে সভা করার আয়োজনে লেগে পড়েছে। জানিয়ে দি লোকসভাকে কেন্দ্র করে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভোট টানার একটা বড় লক্ষ নিয়েছে।

আজ পশ্চিমবঙ্গের দুই স্থানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সভা ছিল এক ঠাকুরনগর দ্বিতীয় দুর্গাপুর। লক্ষণীয় বিষয় এই যে ঠাকুরনগরে প্ৰধানমন্ত্রী মোদী মাত্র ১৪ মিনিট ভাষণ দেওয়ার পর সভা শেষ করে। মাত্র কয়েক মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কেন ভাষণ শেষ করে দেন সেই নিয়ে অনেকে প্রশ্ন উঠিয়েছে। অনেকে বলেছেন যে এটা বিশেষ সম্প্রদায় কেন্দ্রিক সভা ছিল , অনেকে আবার বলেছেন এক দিনে দুটি সভা থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী ১৪ মিনিটেই ভাষণ সমাপ্ত করে দেন।

তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী ১৪ মিনিটে ভাষণ শেষ করার মূল কারণ মানুষের সুরক্ষা ও বিশালাকায় ভিড়। আসলে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার রয়েছে যারা গণতন্ত্রের তেমন পরোয়া করে বলেই অভিযোগ রয়েছে। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে বিশালাকায় ভিড়কে সামাল দেওয়া খুব কঠিন ব্যাপার। ঠাকুর নগর ও দুর্গাপুরে দুই জায়গাতেই হাউসফুলের অবস্থা হয়েছিল কিন্তু ঠাকুরনগরের ভিড় এতটাই ছিল যে ১ ইঞ্চি পা রাখার জন্যেও সংঘর্ষ করতে হচ্ছিল। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে জনগণের সুরক্ষার ব্যাপারে চিন্তা করা মোদীজির কাছে রাজনীতির উপরে ছিল।

দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় নরেন্দ্র মোদীর কাছে আগে দেশের মানুষের সুরক্ষা পরে রাজনীতি। যদি প্ৰধানমন্ত্রী মোদী বিশালাকায় ভিড়ের সুরক্ষার উপর নজর না দিয়ে রাজনীতি চমকানোর জন্য ভাষণ জারি রাখতেন তাহলে সেটা প্ৰধানমন্ত্রীর দায়িত্বকে ছোটো করা হতো। তাই দেশের মানুষের অভিভাবক হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করেন এবং একজন সত্যিকারের প্রধান সেবক হওয়ার পরিচয় দিয়েছেন।

পাঠকদের কাছে প্রশ্নঃ প্রধানমন্ত্রীর সিধান্তের ব্যাপারে আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানান।

Source link

Tags

Related Articles

Close