নতুন খবর

লোকসভায় পেশ হতে চলেছে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল! হিন্দু ও শিখরা পাবেন বড় উপহার।

পাকিস্থান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের মতো ইসলামিক দেশে থাকা হিন্দুদের অবস্থা এখন কতটা শোচনীয় সেটা কারোর কাছে গোপন নয়। ধৰ্ম পালনের স্বাধীনতা দূর, কাফের বলে হত্যা পর্যন্ত করা হয় সংখ্যালঘু হিন্দু , বৌদ্ধ ও শিখ সমাজকে। তবে মোদী সরকার এখন সেই সমস্থ হিন্দুদের ভারতে নাগরিকত্ব দেওয়ার উপর কাজ শুরু করেছে। সোমবার দিন কেন্দ্রীয় কেবিনেট বাংলাদেশ, পাকিস্থান ও আফগানিস্তানের অমুসলিমদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য নাগরিকত্ব সংশোধন বিধেয়ককে মঞ্জুরী দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে এই বিধেয়ককে মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে। এই বিধেয়ককে এই সপ্তাহে লোকসভায় রাখা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। জানিয়ে দি এই বিধেয়ক ২০১৬ সালে প্রথমবার পেশ করা হয়েছিল। পূর্বউত্তর রাজ্যগুলিতে এই বিধেয়কের বিরুদ্ধে বহু মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল।

তাদের বক্তব্য এই বিধেয়ক ১৯৮৫ সালের অসম সমঝোতার অমান্য করবে। এই সমঝোতায় ১৯৭১ এর পর আসা যেকোনো বিদেশি নাগরিককে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল তাতে সে যে ধর্মের মানুষ হোক না কেন। কিন্তু মোদী সরকার যে বিধেয়ক আনছে তাতে বাইরে থেকে আসা মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

নাগরিকত্ব পাবেন শুধুমাত্র অমুসলিমরা তথা যে সমস্থ ধৰ্ম ভারতে উৎপন্ন সেই ধর্মের পালন করা মানুষ। উদাহরণসরুপ হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ সম্প্রদায়ের যে সমস্থ মানুষ পাকিস্থান বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসতে চাইবে তারা সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন।

নতুন বিধেয়ক নাগরিকত্ব আইন ১৯৫৫ এর সংশোধন এর জন্য আনা হয়েছে। এই আইন পাশ হলে ইসলামিক দেশগুলি থেকে আগত অমুসলিমরা ভারতে ৪ বছর বাস করার পরেই নাগরিকত্ব পাবেন। বিজেপি ২০১৪ সালে এই আইন আনার কথাও দিয়েছিল জনগণকে। এই বিলের জন্য সরকারকে একটা বড় ত্যাগ স্বীকার করেছে।অসমগণ পরিষদ বিধেয়ক আনার কথা শোনার পরেই NDA থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে।

Source link

Tags

Related Articles

Close