নতুন খবর

আকবর কেল্লা নিয়ে যোগী আদিত্যানাথের বড়ো পদক্ষেপ! তুমুল বিরোধ কট্টরপন্থীদের।

বিদেশী আক্রমনকারীরা ভারতে এসে এদেশের ধন সম্পদ লুটে নেওয়ার সাথে সাথে এদেশের সভ্যতা ও সঙ্গস্কৃতিকেও নষ্ট করেছে। ভারতে এমন বহু স্থান রয়েছে যেখানের ঐতিহ্যবাহী নাম মুছে দিয়ে বিদেশী বর্বর বাবর, ঔরঙ্গজেবের মতো জঙ্গিরা ইসলামিক নাম চাপিয়ে দিয়ে গেছে। মুঘল ও ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত পাওয়ার এতদিন পরেও ভারতীয়রা চাপিয়ে দেওয়া বিদেশী সস্কৃতি ঝেড়ে ফেলতে পারেনি। এর কারণ স্বাধীনতার পর থেকেই ভারতে যতগুলি সরকার গঠন হয়েছে প্রত্যেকটি তথাকথিত সেকুলার সরকার। তবে বর্তমানে দেশে এমন এক সরকার গঠন হয়েছে যারা বৈদেশিক সংস্কৃতি ঝেড়ে ফেলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়েছে।

জানিয়ে দি, উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার রাজ্যের ইসলামিক শহরগুলির নাম মুছে ফেলে পুরানো ঐতিহ্যবাহী নাম ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে। যদিও যোগী আদিত্যানাথের এই পদক্ষেপের উপর দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও বামপন্থী বর্গ লাগাতার বিতর্ক জড়িয়ে দিতে শুরু করে। সম্প্রতি যোগী আদিত্যনাথ আরো একটা বড়ো পদক্ষেপ নিয়েছেন যা নিয়ে আবার নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আসলে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ ঘোষণা করেছেন, প্রয়াগরাজে আকবর কেল্লার মধ্যে থাকা সরস্বতী কূপ জনগণকে দর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ওই স্থানে একটা সরস্বতী প্রতিমা স্থাপন করা হবে। সরস্বতী প্রতিমার সাথে সেখানে ঋষি ভরদ্বাজের মূর্তিও স্থাপন করা হবে। ইতিহাসবিদদের মতে সরস্বতী কূপ ৪৩৫ বছর ধরে আকবর কেল্লার মধ্যে বদ্ধ রয়েছে এবং ৪ শতাব্দী পর এখন খোলা হবে। ১৫ জানুয়ারি থেকে কুম্ভ মেলা শুরু হবে। কুম্ভের প্রস্তুতির মাঝেই যোগী আদিত্যনাথ এই ঘোষণা করেছেন।

কুম্ভ মেলা শুরু হওয়ার আগে অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারির আগে দেবী স্বরস্বতীর মূর্তি স্থাপন করা হবে। কুম্ভ মেলায় আগত সমস্ত ভক্তগণ এই মূর্তির দর্শন করতে পারবেন। প্রয়াগরাজ সঙ্গমের তীরে যে দুর্গ(আকবর কেল্লা) রয়েছে তা এখন সেনার দখলে রয়েছে। সেনা, প্রশাসনকে দেবী স্বরস্বতীর মূর্তি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী সরকার সরস্বতী মূর্তি স্থাপনের কাজ শুরু করে দিয়েছে। যোগী আদিত্যানাথের এই পদক্ষেপ নিয়ে বিরোধী ও কট্টরপন্থীরা সমালোচনা শুরু করে দিয়েছে। যোগী আদিত্যানাথ রাজ্যের ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না বলে অভিযোগ উঠিয়েছে বিরোধীরা।

Source link

Tags

Related Articles

Close