নতুন খবর

ঋণ না মেটাতে পারলে কর্ণাটকে গরিব কৃষকদের গেপ্তার করবে কংগ্রেস ও JDS জোট সরকার!


কিছু পার্টি আছে আছে যারা নির্বাচনের আগে কৃষকদের সাথ দেওয়ার কথা বলে, কৃষকদের ঋণ মাফ করে দেওয়ার পতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু নির্বাচনের পর কৃষকদের ভোট নিয়ে জয়ী হলে সমস্ত পতিশ্রুতি ভুলে যায়। শুধু পতিশ্রুতি ভুলে যাওয়া নয় একই সাথে ঋণ পূরণ না করলে সরকার গ্রেপ্তারের ওয়ারেন্ট জারি করে। এমনি কারনামা আবার করে দেখিয়েছে কর্ণাটকের কংগ্রেস। কর্ণাটকের কংগ্রেস ও জেডিএস এর জোট সরকার কৃষকদের দেওয়া সব পতিশ্রুতি ভুলে ঋণ না মেটালে গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট জারি করে দিয়েছে। ভোটের আগে অবধি এই পার্টি দুটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে কৃষকদের ঋণ মিটিয়ে দেওয়া হবে।

কিন্তু কংগ্রেস ও জেডিএস এর সরকার গরিব কৃষকদের উপর ঋণ না মেটানোর গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট জারি করেছে। এই ইস্যুতে কৃষকরা বুধবার দিন কর্ণাটকের রাস্তায় রাস্তায় ক্ষোপ প্রদর্শন করেছে যদিও দু একটা হাতে গোনা মিডিয়া ছাড়া কোনো মিডিয়া এই নিয়ে প্রচার করেনি। জানিয়ে দি, গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট কোনো ব্যাঙ্ক জারি করে না এটা সরকার জারি করে। অর্থাৎ গরিব কৃষকদের কাছে থেকে লোন ফেরত নেওয়ার জন্য কংগ্রেস ও জেডিএস এই ওয়ারেন্ট জারি করেছে।

আসলে এই সমস্ত পার্টির নেতাদের রূপ ভোটের আগে একরকম এবং ভোটের পরে আরেক রকম হয়ে থাকে। দুঃখের বিষয় এই যে মিডিয়া এই সমস্থ বিষয় নিয়ে কংগ্রেসকে কোন প্রশ্ন করবে না, তবে যখন এই গরীব কৃষকরা কর্নাটকে ঋণ না পূরণ করতে পেরে আত্মহত্যা করবে তখন মিডিয়া মোদী সরকারের উপর প্রশ্ন তুলবে। ওর আগেও কংগ্রেস যখন মহারাষ্ট্রে শাসন চালিয়েছিল তখন কৃষকদের খারাপ অবস্থা করে দিয়েছিল। পাঞ্জাবেও বর্তমানে কংগ্রেস রাজত্ব করছে এবং সেখানে কৃষকদের অবস্থা করুন করে রেখেছে।

এই এখন কর্ণাটকে কংগ্রেসের জোট সরকার ঋণ না মেটানোর উপর কৃষকদের জন গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট জারি করেছে। আসলে এটাই কংগ্রেসের বরাবরের নীতি। কংগ্রেস ভারতীয়দের শিক্ষা, সমৃদ্ধি,অর্থ থেকে দূরে রেখে জাতিভাগে ভাগ করে ভোট লুটে এসেছে। আর এই নীতি কংগ্ৰস বর্তমানে কর্ণাটকে প্রয়োগ করা শুরু করে দিয়েছে।

Tags

Related Articles

Close