নতুন খবর

অটল বিহারী বাজপেয়ীর এই ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে স্তব্ধ হয়েগেছিল বিরোধীরাও।


বাজপেয়ীজি প্রথমবারে মাত্র ১৩ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন। কিন্তু সেটার স্থায়িত্বকাল বেশি দিন ছিল না তা জেনেও তিনি সেই আসন গ্রহন করেছিলেন। কারন সেই সময় কংগ্রেস বিরোধী দল গুলির কোনো ক্ষমতা ছিল না। তাই তিনি কিছু দিনের জন্য হলেও সেই আসনে বসে কংগ্রেস কে দেখিয়ে দিয়েছিল তার ছোটো এই দলের ক্ষমতা । তিনি শুধুমাত্র দেশবাসী কে এটাই দেখাতে চেয়েছিলেন যে, এই দেশে কংগ্রেসের বিকল্প রয়েছে সেই জন্যই তিনি সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর আসন গ্রহন করেছিলেন। তার কোনো ক্ষমতার লোভ ছিল না। তার মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তার দলের আদর্শ ও লক্ষ্য তুলে ধরা। সেটার প্রমান আমরা তার প্রথমবারের ভাষন থেকেই ফুটে উঠেছিল। সেই সময় সরাসরি সম্প্রচার করা হত না লোকসভা। কিন্তু সেই সময়কার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ দূরদর্শনে লোকসভার লাইভ টেলিকাস্ট চালু করে দিয়েছিলেন মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে।

আর সেই সুবর্ণময় সুযোগ কে কাজে লাগিয়েছিলেন বাজপেয়ীজি। তিনি জানতেন যে তার দল লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান করতে পারবে না তাই তিনি সেই ১৩ দিনকে ভালো ভাবে কাজে লাগিয়েছিল। তিনি তার বক্তৃতার মধ্যে দিয়ে সকলকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিলেন পদত্যাগ করার আগে। তিনি বলেছিলেন যে, ‘আমি মরতে ভয় পাই না, ভয় পাই শুধুমাত্র বদনামের।’ তার ভাষনের সেই সুন্দর ভিডিও টি আজও সোশ্যাল মিডিয়ায় সমান ভাবে জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে। একটি এমন দল যেটা  হিন্দুত্ববাদী নিয়ে তৈরী হয়েছে সেইরকম একটা দল কে দেশের জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা করে দেওয়া।

বিজেপিকে দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা। বিজেপির উদ্দেশ্য ছিল সকল স্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে দেশের বিকাশ করা ও বিজেপিকে শক্তিধর পার্টি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করানো। এই সব কিছু কিন্তু বাজপেয়ীজির প্রাপ্য। প্রথমবার তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী আসনে বসেন তখন বিজেপি দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি আসন পেয়েছিল। লোকসভা ভোটে এত পরিমান ভোট পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি, অটলবিহারী বাজপেয়ীজিকে  প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহন করার জন্য আহবান জানান।

কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকার কারনে কিছু দিনের মধ্যে সেই পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিয়ে দেন। সব বিরোধী দল গুলি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমানের দিনে বলেন যে বাজপেয়ীজির ক্ষমতার লোভ রয়েছে। সেই কথা শোনার পরই তিনি নিজের বক্তব্য পেশ
করেন লোকসভায়, যা শুনে সেই সময়কার সকল বিরোধী নেতারাই বিস্মিত হয়ে গিয়েছিল। জানলে অবাক হবেন জাতিসঙ্ঘ একটা এত ছোট দল ছিল যে বাকি দলের নেতা মন্ত্রীরা হাসাহাসি করতো। কিন্তু সেই সময় অটলজি বলেছিলেন, আজ আমার দল নিয়ে বাকিরা হাসহাসি করছে ঠিকই কিন্তু এক সময় আসবে যখন পুরো ভারতে আমাদের পার্টি থাকবে আর বাকিদের উপর জনগণ হাসবে।

#অগ্নিপুত্র

The post অটল বিহারী বাজপেয়ীর এই ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে স্তব্ধ হয়েগেছিল বিরোধীরাও। appeared first on India Rag.



24 Ghanta

24 Ghanta Live News

Tags

Related Articles

Close